কৃষক মৃত্যুর প্রতিবাদে বিধায়কের নেতৃত্বে হরিশ্চন্দ্রপুরে তৃণমূলের প্রতিবাদ মিছিল

কৃষক মৃত্যুর প্রতিবাদে বিধায়কের নেতৃত্বে হরিশ্চন্দ্রপুরে তৃণমূলের প্রতিবাদ মিছিল

কৃষক মৃত্যুর প্রতিবাদে বিধায়কের নেতৃত্বে হরিশ্চন্দ্রপুরে তৃণমূলের প্রতিবাদ মিছিল, অনুপস্থিত একাধিক নেতৃত্ব, ফের সামনে আসছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রশ্ন, যদিও মুখ খুলতে নারাজ তৃণমূল নেতৃত্ব

হরিশ্চন্দ্রপুর;০৫অক্টোবর: উত্তরপ্রদেশের লক্ষ্মীমপুরে কৃষক মৃত্যুর ঘটনায় এই মুহূর্তে উত্তাল সারাদেশ। বিজেপির বিরুদ্ধে ক্রমশ সুর চড়াচ্ছে বিরোধীরা। এই ইস্যুকে কাজে লাগাতে বিলম্ব করছে না তৃণমূল কংগ্রেস। নেত্রী মমতা ব্যানার্জি কড়া সমালোচনা করেছেন। উত্তরপ্রদেশে প্রতিনিধিদল পাঠাবেন বলেছেন। সাথে সারা রাজ্য জুড়ে আন্দোলন করছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই আন্দোলনে শামিল হল মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর তৃণমূল কংগ্রেস। হরিশ্চন্দ্রপুর শহীদ মোড় থেকে বিধায়ক তজমুল হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। যেটি সমগ্র হরিশ্চন্দ্রপুর পরিক্রমা করে আবার শহীদ মোড়ে এসে শেষ হয়। তারপর একটি প্রতিবাদ সভা হয়। এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সাধারণ সম্পাদক জম্মু রহমান,তবারক হোসেন, হরিশ্চন্দ্রপুর অঞ্চল চেয়ারম্যান সঞ্জীব গুপ্তা, লড়াকু মহিলা নেত্রী শামীমা রহমান, যুব নেতা জিয়াউর রহমান, মনোতোষ ঘোষ,ছাত্র নেতা বিমান ঝা সহ অন্যান্যরা। যদিও এই মিছিলে দেখা যায়নি দলের অনেককেই। যা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক। উপস্থিত ছিলেন না হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মানিক দাস, জেলা পরিষদ সদস্যা মর্জিনা খাতুন, মমতাজ বেগম, জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি বিকাশ ব্যানার্জি সহ আরো অনেকেই। তাদের বক্তব্য তারা মিছিলের কথা জানতেন না। তবে স্বাভাবিক ভাবেই এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে মিছিলে সমস্ত ব্লক নেতৃত্ব না থাকায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রশ্ন উঠছে। তবে এদিন মিছিল থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠে। মন্ত্রীর ছেলের শাস্তির দাবি তোলে তৃণমূল নেতৃত্বরা। বিজেপি সরকার কে কৃষক বিরোধী সরকার বলে।

জেলা তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক জম্মু রহমান বলেন, ” বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্রর ছেলে আশীষ মিশ্র আন্দোলনরত ৮ জন কৃষককে গাড়ি চাপা দিয়ে মেরেছে। তার প্রতিবাদেই আমাদের আজকের মিছিল। এই সরকার যে কতটা কৃষক বিরোধি প্রমাণ হয়। এই দেশে ৮০% মানুষ কৃষিজীবী।এরা সকলে মিলে মোদী সরকারকে উৎখাত করবে। আর যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।” দলের সকলের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে উনি বলেন,” আমি দেখতে পাচ্ছি প্রায় সকলেই উপস্থিত আছে। কেউ যদি ব্যক্তিগত কোনো কারণে না আসতে পারেন তা বলতে পারব না। রাজ্যের নির্দেশে আমাদের এই মিছিল।”

এদিকে যারা অনুপস্থিত ছিলেন তাদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা হলে এই বিষয় নিয়ে তারা ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে নারাজ।

আগামী লোকসভা ভোটে বিজেপি বিরোধী প্রধান মুখ হিসেবে উঠে আসতে চাইছেন মমতা ব্যানার্জি। তাই বিজেপি বিরোধী যে কোন আন্দোলনে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়ছে না তারা। প্রত্যেক জায়গায় মাঠে নেমে আন্দোলন করছে তৃণমূল। তবে হরিশ্চন্দ্রপুরের আজকের এই প্রতিবাদ মিছিলে বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতি না থাকায় স্বাভাবিক ভাবে বেশ কিছু প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।

, অনুপস্থিত একাধিক নেতৃত্ব, ফের সামনে আসছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রশ্ন, যদিও মুখ খুলতে নারাজ তৃণমূল নেতৃত্ব

হরিশ্চন্দ্রপুর;০৫অক্টোবর: উত্তরপ্রদেশের লক্ষ্মীমপুরে কৃষক মৃত্যুর ঘটনায় এই মুহূর্তে উত্তাল সারাদেশ। বিজেপির বিরুদ্ধে ক্রমশ সুর চড়াচ্ছে বিরোধীরা। এই ইস্যুকে কাজে লাগাতে বিলম্ব করছে না তৃণমূল কংগ্রেস। নেত্রী মমতা ব্যানার্জি কড়া সমালোচনা করেছেন। উত্তরপ্রদেশে প্রতিনিধিদল পাঠাবেন বলেছেন। সাথে সারা রাজ্য জুড়ে আন্দোলন করছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই আন্দোলনে শামিল হল মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর তৃণমূল কংগ্রেস। হরিশ্চন্দ্রপুর শহীদ মোড় থেকে বিধায়ক তজমুল হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। যেটি সমগ্র হরিশ্চন্দ্রপুর পরিক্রমা করে আবার শহীদ মোড়ে এসে শেষ হয়। তারপর একটি প্রতিবাদ সভা হয়। এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সাধারণ সম্পাদক জম্মু রহমান,তবারক হোসেন, হরিশ্চন্দ্রপুর অঞ্চল চেয়ারম্যান সঞ্জীব গুপ্তা, লড়াকু মহিলা নেত্রী শামীমা রহমান, যুব নেতা জিয়াউর রহমান, মনোতোষ ঘোষ,ছাত্র নেতা বিমান ঝা সহ অন্যান্যরা। যদিও এই মিছিলে দেখা যায়নি দলের অনেককেই। যা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক। উপস্থিত ছিলেন না হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মানিক দাস, জেলা পরিষদ সদস্যা মর্জিনা খাতুন, মমতাজ বেগম, জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি বিকাশ ব্যানার্জি সহ আরো অনেকেই। তাদের বক্তব্য তারা মিছিলের কথা জানতেন না। তবে স্বাভাবিক ভাবেই এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে মিছিলে সমস্ত ব্লক নেতৃত্ব না থাকায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রশ্ন উঠছে। তবে এদিন মিছিল থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠে। মন্ত্রীর ছেলের শাস্তির দাবি তোলে তৃণমূল নেতৃত্বরা। বিজেপি সরকার কে কৃষক বিরোধী সরকার বলে।

জেলা তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক জম্মু রহমান বলেন, ” বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্রর ছেলে আশীষ মিশ্র আন্দোলনরত ৮ জন কৃষককে গাড়ি চাপা দিয়ে মেরেছে। তার প্রতিবাদেই আমাদের আজকের মিছিল। এই সরকার যে কতটা কৃষক বিরোধি প্রমাণ হয়। এই দেশে ৮০% মানুষ কৃষিজীবী।এরা সকলে মিলে মোদী সরকারকে উৎখাত করবে। আর যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।” দলের সকলের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে উনি বলেন,” আমি দেখতে পাচ্ছি প্রায় সকলেই উপস্থিত আছে। কেউ যদি ব্যক্তিগত কোনো কারণে না আসতে পারেন তা বলতে পারব না। রাজ্যের নির্দেশে আমাদের এই মিছিল।”

এদিকে যারা অনুপস্থিত ছিলেন তাদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা হলে এই বিষয় নিয়ে তারা ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে নারাজ।

আগামী লোকসভা ভোটে বিজেপি বিরোধী প্রধান মুখ হিসেবে উঠে আসতে চাইছেন মমতা ব্যানার্জি। তাই বিজেপি বিরোধী যে কোন আন্দোলনে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়ছে না তারা। প্রত্যেক জায়গায় মাঠে নেমে আন্দোলন করছে তৃণমূল। তবে হরিশ্চন্দ্রপুরের আজকের এই প্রতিবাদ মিছিলে বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতি না থাকায় স্বাভাবিক ভাবে বেশ কিছু প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।

বাংলা