প্রতিবারের মতো এবারও থিম পুজোয় মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে আসন্ন শারদ উৎসবে চমক দিতে চলেছে হরিশ্চন্দ্রপুর দক্ষিণী যুগদর্শি

প্রতিবারের মতো এবারও থিম পুজোয় মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে আসন্ন শারদ উৎসবে চমক দিতে চলেছে হরিশ্চন্দ্রপুর দক্ষিণী যুগদর্শি

মালদাঃ- প্রতিবারের মতো এবারও থিম পুজোয় মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে আসন্ন শারদ উৎসবে চমক দিতে চলেছে হরিশ্চন্দ্রপুর দক্ষিণী যুগদর্শি। প্রতিবারই তারা দুর্গাপূজা তে নিত্যনতুন চমক দিয়ে থাকে। থিম পুজো থেকে শুরু করে আলোকসজ্জা সবেতেই নতুন চমক থাকে তাদের পুজোয়। এবারও ব্যাতিক্রম হয়নি। এবারে তাদের পুজোর থিম সংবাদমাধ্যমের সাতকাহন। মন্ডপের অন্যান্য সংবাদ পত্রের সাথে। এদিন তাদের মণ্ডপে গিয়ে দেখা গেল প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে। ইতিমধ্যেই প্রতিমা চলে এসেছে মণ্ডপে। মন্ডপ সজ্জার কাজ শেষের পথে। এবারের পুজোর থিম সংবাদমাধ্যমের সাতকাহন। মণ্ডপে গিয়ে দেখা গেল টরে টক্কা অর্থাৎ টেলিগ্রাম থেকে শুরু করে, টেলিফোন, মোবাইল ফোন, বেতার যন্ত্র টিভি প্রভৃতির মডেল তৈরি করা হয়েছে। রাখা হয়েছে আদিযুগের সংবাদ বহনের প্রতীক হিসেবে ডাক হরকরা, ঢোলে মাধ্যমে সংবাদ প্রচার, মাইকের সংবাদ প্রচার, এমনকি সাইকেলে করে সংবাদপত্র বিক্রেতার প্রতিরূপ। আদিকালের সংবাদ বরণের প্রতীক হিসাবে গ্রামের চন্ডী মন্ডপ ফুটে উঠেছে প্যান্ডেল এ। তৈরি করা হয়েছে কাগজের তৈরি নৌকার আদলে। বিভিন্ন সংবাদপত্রের প্রকাশিত উল্লেখ যোগ্য খবর এর বড় বড় ফ্লেক্স প্রিন্ট আউট বানিয়ে গোটা মন্ডপ টি সাজানো হয়েছে। এমনকি মন্ডপের ভেতরে সংবাদপত্র দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বিশাল আকৃতির ঝাড়বাতি। পূজার প্রতিমা তে আনা হয়েছে সাবেকিয়ানা। ডাকের সাজে একচালার প্রতিমা যা থিমের সঙ্গে সত্যিই মানানসই। দক্ষিণী যুগদর্শির এবারের পুজোর থিম শিল্পী গৌতম গাঙ্গুলী। যিনি উত্তর মালদার গত কয়েক বছর ধরে অভিনব থিমের আমদানি করছেন পুজোতে।

দক্ষিণী যুগদর্শির জেনারেল সেক্রেটারি মানিক দাস জানালেন এ বছর আমাদের পুজো ৩৪ তম বর্ষে পদার্পণ। প্রতিবার দুর্গাপূজাতে আমরা থিম ও অন্যান্য বিষয় দিয়ে পূজায় চমক তৈরি করি। চন্দননগরের আলোকসজ্জা থেকে শুরু করে অনেক অভিনব থিম আমরা এর আগে করেছি। এবার আমাদের থিম সংবাদমাধ্যমের সাতকাহন। এবারে আমাদের বাজেট ১০ লক্ষ টাকা। প্রতিবারের মতই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নরনারায়ন সেবা এবং বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি থাকবে। প্রতিবারই হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকাসহ মালদা জেলায় নজর কাড়ে দক্ষিণী যুগদর্শি। জুটেছে বহু পুরস্কার।এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না বলে আশাবাদী ক্লাবের সদস্যরা।

উত্তর বাংলা