বোল্লা কালী পুজো মেলার বাতাসা – খাগড়া মিষ্টি ভোগ জেলার কারিগরেরা তৈরি করলেও তা বিক্রি করার সুযোগ না পেয়ে বিপুল ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছে তারা

দক্ষিণ দিনাজপুরের বোল্লা কালী পুজো মেলার বাতাসা – খাগড়া মিষ্টি ভোগ জেলার কারিগরেরা তৈরি করলেও তা বিক্রি করার সুযোগ না পেয়ে বিপুল ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছে তারা।বছরের প্রধান সঞ্চয়ের পথ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় চিন্তার ভাঁজ কারিগরদের কপালে।
উত্তরবঙ্গের মধ্যে সর্ববিহৎ মেলা হয় দক্ষিণ দিনাজপুরের বোল্লা কালী পুজোকে ঘিরে।শুধু জেলায় নয় জেলার বাইরে থেকেও বিপুল পরিমাণে ভক্তের সমাগম হয় এই মেলাতে।বোল্লা কালী পুজোকে কেন্দ্র করে পাঠা বলি হয় হাজারে হাজারে।বোল্লা পুজোকে ঘিরে বসে মেলা,মেলায় বসে হরেক রকমের দোকান,বসে নাগরদোলা থেকে শুরু করে বাচ্চাদের মনরমের জিনিস।আর এই বোল্লা পুজোর সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রসাদ খাগড়া – বাতাসা।এই খাগড়া – বাতাসায় মায়ের ভোগের প্রসাদ হিসাবে গ্রহণ করেন পুজো দিতে আসা কাতারে কাতারে ভক্ত।শয়ে শয়ে খাগড়া – বাতাসার দোকান বসে বোল্লা মন্দির চত্বরে।আর এই বিপুল পরিমাণে খগড়া – বাতাসা মিষ্টি ভোগের জোগান দিয়ে থাকেন জেলার খাগড়া – বাতাসা মিষ্টি ভোগের কারিগররা।
বছরের প্রধান সঞ্চয় তারা করে নেন এই মেলাকে কেন্দ্র করে।
কিন্তু করোনা অতিমারির জন্য বিগত দিনেও যেমন মেলা বন্ধের কারণে আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়েছিল বাতাসা তৈরির কারিগররা।ঠিক এবছরে আর্থিক সংকটের মধ্যে পড়তে হবে ভেবে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে কারিগরদের কপালে।
এবছরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসন করোনা পরিস্থিতিতে বোল্লা মেলা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করলেও বোল্লা কালী পুজো ও ভক্তদের মন্দিরে পুজো দেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।
গঙ্গারামপুরের মিষ্টি ভোগের কারিগরেরা বিপুল পরিমাণ চিনির বাতাসা তৈরি করে মজুদ করে রাখলেও বোল্লা মন্দির কমিটি এ জেলার বাতাসার দোকানদারদের মন্দির চত্বরে বসতে না দিয়ে বাইরের দোকানদারদের সুযোগ করে দেওয়ার ক্ষোভে ফুঁসছে যেমন জেলার বাতাসা – খাগড়া, ভোগের দোকানদাররা অপরদিকে বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছে গঙ্গারামপুরের কারিগরদের পাশাপাশি জেলার কারিগরদের।

দক্ষিণ বাংলা