যাত্রী তোলা নিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ল শাসকদলের দুই ড্রাইভার ইউনিয়ন

যাত্রী তোলা নিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ল শাসকদলের দুই ড্রাইভার ইউনিয়ন

মালদা;১৬জানুয়ারি: যাত্রী তোলা নিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ল শাসকদলের দুই ড্রাইভার ইউনিয়ন। ঘটনাটি ঘটেছে মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার তুলসিহাটা বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায়। দীর্ঘদিন ধরেই এই বাস স্ট্যান্ডে শাসকদলের অটো ইউনিয়ন এবং শাসক দলের টোটো ইউনিয়ান যাত্রী তোলা নিয়ে রেষারেষি করে আসছে। রবিবার সকালে এই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে। তৃণমূল আশ্রিত অটো ইউনিয়নের নেতারা টোটো চালকদের। এই নিয়ে দুই ইউনিয়নের চালকদের মধ্যে শুরু হয়ে যায় বচসা। তারপরই হাতাহাতি এবং সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই ইউনিয়নের তৃণমূল সমর্থক ড্রাইভাররা। ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। খবর দেওয়া হয় হরিশ্চন্দ্রপুর পুলিশ থানায়। টোটো ড্রাইভারদের উত্তেজনা সামাল দিতে এলাকায় নামে বিশাল পুলিশবাহিনী। এদিকে আরও অভিযোগ তুলসিহাটা বাসস্ট্যান্ডের তৃণমূলের অটোচালক ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরে বাসস্ট্যান্ডে থাকা মহিলাদের জন্য সরকারি শৌচালয় দখল করে পার্টি অফিস বানিয়ে রেখেছে। অটো ইউনিয়নে চালকদের দাপটে সেখানে বাথরুম করতে লজ্জা পান বাস ধরতে আসা মহিলা যাত্রীরা। এলাকার বাসিন্দারা বারবার প্রতিবাদ করেও কোন ফল হয়নি। উল্টো শাসকদলের নেতাদের চোখরাঙানি সহ্য করতে হচ্ছে। এদিকে অটো ইউনিয়ন সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।অন্যদিকে অটো ইউনিয়ন চালকদের ওপর ওঠা এই অভিযোগ কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন হরিশ্চন্দ্রপুর তুলসিহাটা অঞ্চলের তৃণমূল নেতৃত্ব। ওই গ্রাম-পঞ্চায়েতের তৃণমূলের উপ-প্রধানের স্বামী আব্বাস আলী প্রকাশ্যেই স্বীকার করেছেন তৃণমূল পরিচালিত অটোচালক ইউনিয়নের কর্মীরা শৌচালয় সামনে অফিস ঘর তৈরি করেছে। এদিকে গোটা ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে আজ তুলসীহাটা বাস স্টান এলাকায়। চলছে পুলিশের টহলদারি। যদিও গোটা ঘটনাকে তীব্র কটাক্ষ করেছে এলাকার বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি নেতাদের অভিযোগ এলাকায় অশান্তি গুন্ডামি হিংসা ছড়ানোর জন্য তৃণমূল নেতৃত্বই দায়ী। রাজ্যজুড়ে অশান্তির বাতাবরণ তৈরি করছে তৃণমূল সরকার। মানুষ এর জবাব দেবে। গোটা ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে তৃণমূল-বিজেপির রাজনৈতিক তরজা।

উত্তর বাংলা