দুমোঠা ফরিদপুর মধ্যপাড়ায় খুন হওয়া মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানালেন জেলা তৃণমুল সংখ্যালঘু সেল

দুমোঠা ফরিদপুর মধ্যপাড়ায় খুন হওয়া মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানালেন জেলা তৃণমুল সংখ্যালঘু সেল

দুমোঠা ফরিদপুর মধ্যপাড়ায় খুন হওয়া মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানালেন জেলা তৃণমুল সংখ্যালঘু সেল
নিপা মুখার্জী গঙ্গারামপুর২৫জানুয়ারি দক্ষিণ দিনাজপুর-দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরের গঙ্গারামপুর থানার অশোকগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের সিমান্তববর্তি দোমুঠা ফরিদপুরে গিয়ে সংখ্যালঘু সংগঠনের সদস্যরা গত রবিবার রাতে মৃত্যু হওয়া যুবকের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন সংখ্যালঘু নেতারা। সিমান্তবর্তি এলাকায় এক যুবককের খুনের ঘটনায় তাঁর পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানালেন জেলা তৃণমুলের সংখ্যালঘু সেলের নেতারা আইনি সব ধরনের সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছেন তাঁরা। মৃতের পরিবারের সদস্যরাও সংখ্যালঘু নেতাদের কাছে পেয়ে ঘটনায় যারা জড়িত রয়েছেন তাঁদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে জেলা তৃণমুল সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি মোজাম্মেল হক, সহ সভাপতি রাজেশ সরকার, সংগঠনের চেয়ারম্যান তাজিমুল হক সহ সংখ্যালঘু সংগঠনের এক প্রতিনিধি দলের সদস্যরা মৃত মস্তারুল ইসলামের পরিবারে গিয়ে তাঁর বাবা, স্ত্রী, সন্তান, আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের সমবেদনা জানিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। আশ্বাস দেন দোষিরা যেন আইনিভাবে কঠোর শাস্তি হয় তাঁর ধরনের সহযোগীতা করবেন বলে। এবিষয়ে জেলা তৃণমুল সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি মোজাম্মেল হক,চেয়ারম্যান তাজিমুল হকেরা পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, আমাদের সংগঠন আপনাদের পাশে সময় রয়েছে। এমন ঘটনার নিন্দা প্রকাশ এলাকায় যেন শান্তি বজায় থাকে তাঁর কথাও বলেন তিনি। আইনিভাবে যেন ঘটনায় যুক্ত অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি হয় তাঁর জন্য চেষ্টা করে যাব।
গত রবিবার রাতে মঞ্জারুল ইসলাম(২৭) গঙ্গারামপুর থানার অশোকগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের সিমান্তববর্তি দোমুঠা ফরিদপুর মধ্যপাড়া এক যুবককে জোর করে নিয়ে গিয়ে গাছে বেঁধে লাঠি ধারালো দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে খুন করার অভিযোগ উঠেছে বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনায় এলাকায় ব্যপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে।যদিও পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠিয়ে পুরো ঘটনার তদন্তে নামে।
মৃতের স্ত্রী ওহেদা বিবিও মৃতের বাবা ফইজুর মিঞা সংখ্যালঘু নেতাদের সামনে ঘটনায় দোষিদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মৃতের পরিবারে রয়েছে বাবা,ফইজুর রহমান, মা ওহেদা বিবি,স্ত্রী অনবিনা বিবি। রয়েছে তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়েও। অভাবের সংসারে সংসার পরিচালনার জন্য বিদেশে কাজ করেই পরিবার বাঁচাতে মৃত মঞ্জারুল৷ মঞ্জারুল খুনের ঘটনার গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই ৭জনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে। সোমবার রাতে ঘটনায় এক অভিযুক্তের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে যায় বলে খবর। যার মৃতদেহ মঙ্গলবার রাতে ওই এলাকা থেকে উদ্ধার হয়।

দক্ষিণ বাংলা