শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে পুড়ে যাওয়া পাঁচটি পরিবারের পাশে দাঁড়ালো প্রশাসন

শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে পুড়ে যাওয়া পাঁচটি পরিবারের পাশে দাঁড়ালো প্রশাসন

গঙ্গারামপুর পৌরসভার 18নম্বর ওয়ার্ডের কালদিঘি হাসপাতালের পিছনে মালোপাড়াতে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে পুড়ে যাওয়া পাঁচটি পরিবারের পাশে দাঁড়ালো প্রশাসন, এমন সহযোগিতা পাগল পাবার পরে প্রশাসনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ওই সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরাও
গঙ্গারামপুর 12 ই মার্চ দক্ষিণ দিনাজপুর।শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে পুড়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচটি পরিবারের পাশে দাঁড়ালো প্রশাসন। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর পৌরসভার আধিকারিক তথা মহকুমার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ওই সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজনদের হাতে বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র তুলে দিয়ে আর্থিক সহযোগিতা করেন তিনি। শনিবার দুপুরে গঙ্গারামপুর পৌরসভার 18নম্বর ওয়ার্ডের হাসপাতালের পিছনে কালদিঘি মালোপাড়াতে গিয়ে সমস্ত জিনিসপত্র গুলো তুলে দেওয়া হয়। সেখানে পৌরসভার আধিকারিক থেকে শুরু করে পৌরসভার কাউন্সিলর সহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। এমন সহযোগিতা পাওয়ায় সাধুবাদ জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরাও।
হেডলাইন
গঙ্গারামপুর পৌরসভার 18 নম্বর ওয়ার্ডের কালদিঘি হাসপাতাল পাড়ার পিছনে আগুনে পুড়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া পাঁচটি পরিবারের পাশে দাঁড়ালো প্রশাসন
বাইট
মনোতোষ মন্ডল (পৌরসভার আধিকারিক তথা ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট)।
বিশ্বজিৎ মুর্মু (18 নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের নির্বাচিত কাউন্সিলর)।
কপি
শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেই হাসপাতালের প্রাচীর তৈরি করার সময় গত বুধবার বিকেলে গঙ্গারামপুর থানার হাসপাতালের পিছনে 18 নম্বর ওয়ার্ডের মালোপাড়াতে মৃত্যু হয়েছিল এক শ্রমিকের।ঘটনায় আহত হয়েছিল আরো এক শ্রমিক। সেই ঘটনায় আগুন লাগার ফলে ভস্মীভূত হয়েছিল প্রাচীর এর আশপাশে থাকা পাঁচটি পরিবারের বাড়িও যাবতীয় জিনিসপত্রও। বুধবার বিকেলে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছিল গঙ্গারামপুর পৌরসভার 18 নম্বর ওয়ার্ডের মহকুমা হাসপাতালের পিছনে কালদিঘি মালিপাড়া এলাকায়। এলাকাবাসীরা আহত দুজনকে হাসপাতালের ভর্তি করাতে নিয়ে গেলে চিকিসকেরা তাদের মধ্যে একজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেছে।খবর দেওয়া হয় গঙ্গারামপুরের দমকল বিভাগকে। পুলিশ ও এলাকাবাসীদের কাছ মালোপাড়ার এলাকাবাসী সূত্রে জানা গিয়েছে যে,এক ব্যাবসায়ীর তরফে কোন রকম নিয়ম পালন না করেই হাসপাতালের পিছনের মালোপাড়ার চতুর্দিকে তার জাগায় ঘিরে দেওয়ার জন্য এলাকায় প্রাচীর তৈরির কাজ চলছিল। এদিন বিকেলে হঠাৎ শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে যায় পাঁচটি বাড়িতে বলে খবর। ভয়াবহ আগুনে প্রাচীরের কাজ করার সময় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মন্টু সরকার নামে প্রাচীর দেওয়ার কাজে কর্মরত শ্রমিকের । ঘটনায় আহত হন মৃত মন্টুর এক সহযোগীও শ্রমিকও। কিছুসময়ের মধ্যেই আগুনের গোলা দেখতে পেয়ে গ্রামবাসীদের চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে দেয়।খবর দেওয়া হয় গঙ্গারামপুর থানা ও দমকল বিভাগে। দমকলের দুটি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে পর আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি মৃত শ্রমিককে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
ভয়াবহ এমন অগ্নিকাণ্ডে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন পুরো এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী ও তৃণমূল নেতাদের তরফে গঙ্গারামপুর থানা ও দমকল বিভাগের খবর দিলে দমকলের তরফে ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সেইসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এমন আগুন লাগার ঘটনা এরা সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েন।
শনিবার দুপুরে গঙ্গারামপুর পৌরসভার আধিকারিক তথা গঙ্গারামপুর বহু কুমার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট মনোতোষ মন্ডল, পৌরসভার এক্সিকিউটিভকে সঙ্গে নিয়ে এসে যে পাঁচটি পরিবারে আগুন লেগে ব্যাপক পরিমাণে ক্ষতির মধ্যে পড়েছিল তাদের পরিবারের লোকজনের হাতে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সামগ্রী থেকে বিভিন্ন জিনিসপত্র তুলে দেওয়া হয়। সেখানে ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ মূর্মু সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
গঙ্গারামপুর পৌরসভার আধিকারিক তথা মহুকুমার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট মনোতোষ মন্ডল জানিয়েছেন, বিষয়টি জানার পরেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে জানানো হয়েছে। বিভিন্ন জিনিসপত্র দিয়ে সহযোগিতা করা হলো।
18 নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত বিশ্বজিৎ মুর্মু জানিয়েছেন, পরিবার গুলোর পাশে দাঁড়ানো হয়েছে। যথাসাধ্য চেষ্টা করা হচ্ছে সহযোগিতা করা। আগামী দিনে যেন উনারা সরকারি দেওয়া যায় তার সব ধরনের চেষ্টা করা হবে।
প্রশাসনের কাছে এমন সহযোগিতা পাওয়ার পর সাধুবাদ জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজনেরাও।

দক্ষিণ বাংলা